• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন
Headline
কেবল নিজের পরিবর্তন নয়; সমাজ ও রাষ্ট্রকে কী দিতে পারলাম সেটাই মুখ্য বিষয় :ডিসি জাহিদ সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলম প্রত্যাহার দায়িত্বে স্বচ্ছতা ও সমন্বয়ের তাগিদ: জেলা উন্নয়ন কমিটির সভায় ডিসি মো: রায়হান কবির ৯৫% বর্জ্য পুড়িয়ে ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদন’সহ বছরে ১০০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা : প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা বিশ্ব বাবা দিবস আজ: সন্তানের জীবনে বাবার অবদান স্মরণের দিন এক আবেদনেই বদলে গেল দিন: স্বামী হারিয়ে দিশেহারা রোকশানার পাশে মানবিক ডিসি জাহিদ আর্মি স্টেডিয়ামে প্রাথমিক গোল্ডকাপের ফাইনালে প্রধানমন্ত্রী : সোনারগাঁওয়ে বড় পর্দায় খেলা দেখলেন এমপি,ডিসি ও শিশুরা মৌমিতা পরিবহন থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক: পরিবহন কর্তৃপক্ষ নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক মুক্তি ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই : মাসুমা আক্তার আইজিপির সঙ্গে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

৯৫% বর্জ্য পুড়িয়ে ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদন’সহ বছরে ১০০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা : প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ / ৪৪ Time View
Update : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

দেশের বিভিন্ন শহরের ময়লার ভাগাড় দিয়ে কমপক্ষে ৪০০-৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। এতে বছরে বাঁচবে প্রায় (১০০০) এক হাজার কোটি টাকার ও বেশী এবং সময়ের সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাঁচবে অর্থের অপচয় ও শহর হবে পরিচ্ছন্ন। অথচ কিছু অসাধু কর্মকর্তার পকেট ভারী করতে আটকে রাখা হয়েছে এমন মেগাপ্রকল্প।

চীনের মতো দেশে ময়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ বানানোর ৪০০ টির বেশি প্ল্যান্ট চালু আছে। তাদের দেশে এখন ময়লার এতই অভাব যে বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে বিদেশ থেকে বর্জ্য আমদানি করতে হয়। তাহলে আমাদের দেশ কেন পারবে না বর্জ্য (ময়লার স্তুুপ) থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে। চেষ্টা করলে আমাদের দেশেও সম্ভব বলে মনে করেন সচেতন মহল।

ঢাকা, চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন বিভাগের ডাস্টবিন ও রাস্তায় ময়লার স্তূপ আর দুর্গন্ধ সহ্য করতে হচ্ছে নাগরিকদের। অথচ এই ময়লা ব্যবহার করেই কমপক্ষে ৪০০-৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। ফলে কয়লা বা এলএনজি আমদানির চাপ কমবে, বছরে দেশের হাজার কোটি টাকা বেঁচে যাবে। সম্প্রতি একটি চীনা প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামে বর্জ্য থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তাবও দিয়েছে।

তাহলে এত বছর ধরে ময়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে না কেন? এমনটাই প্রশ্ন করছেন দেশের সচেতন মহল।

প্রতি বছর ময়লার ভাগাড় বা ল্যান্ডফিল ও জমি অধিগ্রহণের নামে শত শত কোটি টাকার বাজেট পাস হয় এবং তা লুট হয়। ময়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ বানানো হলে ল্যান্ডফিলের প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবে-৯৫% বর্জ্যই পুড়ে যাবে। ল্যান্ডফিল না থাকলে অসাধু কর্মকর্তাদের অবৈধ আয়ের পথ চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে।

তাই তারা বছরের পর বছর পরিবেশ ছাড়পত্র ও “ময়লায় পানি বেশি”-এমন কি নানা অজুহাত দেখিয়ে ঢাকার আমিনবাজারসহ অন্যান্য প্রকল্প আটকে রাখছে।

আমরা কেন ময়লার স্তূপে বসে থেকে বিদেশ থেকে চড়া দামে জ্বালানি কিনব? সময়ের সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে অর্থের অপচয় রোধ হবে, শহর হবে পরিচ্ছন্ন।এবং দেশে বিদ্যুৎ ঘাটতি অনেকাংশে কমে যাবে।

এই ল্যান্ডফিল সিন্ডিকেট ভাঙতে বর্জ্য-বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা এখন সময়ের দাবি। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারলেই দেশের বর্জ্যই হয়ে উঠবে দেশের সম্পদ।

——–
এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ
সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী ও কলামিস্ট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা