• শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
Headline
৯টা–৫টার দায়িত্বে সমাজ বদলাবে না: ডিসি জাহিদ ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে জেলাবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শান্তি ও সম্প্রীতির পথে চলার আহ্বান এসপি মিজানুর রহমান মুন্সির ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে মহানবীর (সা.) আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে শান্তিপূর্ণ নারায়ণগঞ্জ গড়ার আহ্বান ডিসি রায়হান কবিরের প্রি-পেইড মিটার বাতিলের দাবীতে নাগরিক অধিকার ফোরামের গণ অনশন নিউইয়র্কে ৪০তম ফোবানা সম্মেলনের হোস্ট কমিটির সিনিয়র উপদেষ্টা হলেন হাকিকুল ইসলাম খোকন বাস্তব প্রশিক্ষণ প্রদান কালে বুদ্ধিমত্তা ও পেশাদারিত্বই আধুনিক পুলিশিংয়ের মূল চালিকাশক্তি : পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন বাংলাদেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি ফুলেল শুভেচ্ছা,দোয়া ও সাংবাদিকদের মিলনমেলায় অনুষ্ঠিত হলো জান্নাতের ৯ম জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠান প্রাইম মিনিস্টার জাতীয় গোল্ডকাপ প্রস্তুতিতে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গড়তে এ আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ :ডিসি রায়হান কবির ব‍্যবসায়ীদের স্বার্থে BIWTA চেয়ারম্যানের সাথে সাক্ষাত করলেন ফ্লাওয়ার মিল সভাপতি মো.সোহাগ

বিশ্ব বাবা দিবস আজ: সন্তানের জীবনে বাবার অবদান স্মরণের দিন

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ / ৯৭ Time View
Update : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

আজ রবিবার বিশ্ব বাবা দিবস। প্রতি বছরের জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বিশ্বের বহু দেশের মতো বাংলাদেশেও দিনটি বিভিন্নভাবে স্মরণ করা হয়। সন্তানের জীবনে বাবার অবদান, দায়িত্ববোধ, ত্যাগ ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার প্রতি সম্মান জানাতেই এই বিশেষ দিবসের প্রচলন।

একজন বাবা শুধু পরিবারের অর্থনৈতিক দায়িত্বই পালন করেন না, তিনি সন্তানের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথপ্রদর্শক। সন্তানের শিক্ষা, মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও ব্যক্তিত্ব গঠনে বাবার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বাবা দিবস অনেকের কাছে কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশের এক বিশেষ উপলক্ষ।

দিবসটি উপলক্ষে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাবাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করছেন। কেউ শেয়ার করছেন পুরোনো ছবি, কেউ লিখছেন আবেগঘন বার্তা, আবার কেউ তুলে ধরছেন বাবার সঙ্গে কাটানো বিশেষ মুহূর্ত। এভাবেই দিনটি হয়ে উঠছে পারিবারিক বন্ধন ও ভালোবাসার এক অনন্য প্রকাশ।

বিশ্ব বাবা দিবসের সূচনা হয় যুক্তরাষ্ট্রে। ১৯১০ সালে সোনোরা স্মার্ট ডড নামের এক নারী তার বাবা উইলিয়াম জ্যাকসন স্মার্টের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এই দিবস পালনের উদ্যোগ নেন। সোনোরার মা মারা যাওয়ার পর তার বাবা একাই ছয় সন্তানকে লালন-পালন করেছিলেন। বাবার সেই অসাধারণ ত্যাগ, দায়িত্ববোধ ও সংগ্রামের স্বীকৃতি দিতেই তিনি একটি বিশেষ দিনের প্রস্তাব দেন।

ক্রমে দিবসটি জনপ্রিয়তা পায় এবং ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি পায়। এরপর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বাবা দিবস পালনের প্রচলন শুরু হয়।

বাংলাদেশে বাবা দিবস সরকারি ছুটি বা রাষ্ট্রীয়ভাবে ঘোষিত দিবস না হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এর জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দিনটি ঘিরে আগ্রহ বেশি দেখা যায়।

অনেকেই এদিন বাবাকে উপহার দিয়ে ভালোবাসা প্রকাশ করেন। কেউ পরিবার নিয়ে বাইরে ঘুরতে যান, কেউ রেস্তোরাঁয় একসঙ্গে সময় কাটান। অনেক পরিবার ছোট আয়োজন, কেক কাটা বা পারিবারিক মিলনমেলার মাধ্যমে দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাবাকে নিয়ে ছবি, স্মৃতি ও শুভেচ্ছা বার্তা প্রকাশের প্রবণতাও দিন বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক ব্যস্ত জীবনে পারিবারিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে বাবা-মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সুযোগ তৈরি করা জরুরি। বাবা দিবস সেই অনুভূতি প্রকাশের একটি সুন্দর মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

একজন বাবার অবদান কোনো নির্দিষ্ট দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তবুও এই দিনটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, জীবনের প্রতিটি ধাপে বাবার ভালোবাসা, ত্যাগ ও দিকনির্দেশনা কতটা মূল্যবান। তাই বিশ্ব বাবা দিবস শুধু একটি আনুষ্ঠানিক দিবস নয়, বরং পরিবারের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশের এক অনন্য উপলক্ষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা