মাধবপুর ইউনিয়নকে আধুনিক ও মডেল হিসেবে গড়তে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সালেহ
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আসন্ন ১নং মাধবপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে উন্নয়নের একগুচ্ছ পরিকল্পনা ও ‘মডেল ইউনিয়ন’ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে মাঠে নেমেছেন তরুণ ও শিক্ষিত সমাজসেবক আবু সালেহ। সুশাসন, সততা এবং স্বচ্ছতাকে পুঁজি করে তিনি মাধবপুর ইউনিয়নবাসীর সেবক হিসেবে নিজেকে নিয়োজিত করতে চান।
সম্প্রতি ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে দেওয়া এক বার্তায় আবু সালেহ তাঁর আগামী দিনের লক্ষ্যসমূহ তুলে ধরেন। তিনি অঙ্গীকার করেছেন, ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি কাজ হবে জনসম্পৃক্ত এবং জবাবদিহিতামূলক।
প্রতিশ্রুতির মূল দিকসমূহ: অবকাঠামো ও কৃষি: গ্রামীণ রাস্তাঘাট সংস্কারের পাশাপাশি কৃষকদের সার, বীজ ও সেচ সুবিধা নিশ্চিত করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য: বেকার যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, খেলাধুলায় উৎসাহ প্রদান এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে সক্রিয় করে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেওয়াই তার অন্যতম লক্ষ্য। নিরাপত্তা ও মাদক নির্মূল: মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করে তিনি ইউনিয়ন জুড়ে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সামাজিক সুরক্ষা: বয়স্ক ও বিধবা ভাতার সঠিক তালিকা প্রণয়ন করে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। নারী উন্নয়ন ও সম্প্রীতি: নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তা প্রদান এবং সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে তিনি কাজ করবেন।
আবু সালেহ রাজনৈতিক অঙ্গনেও সুপরিচিত। তিনি মাধবপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নিজ অর্থায়নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছেন। করোনাকালিন সময়ে খাদ্য সামগ্ৰী বিতরণ’সহ চিকিৎসা সহায়তা করেছেন।
আবু সালেহ বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সকল কর্মসূচিতে সক্রিয় ও রাজপথে থাকার কারণে রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা ছিল ৪টি, ২১ শে নভেম্বর ২০২৩ ইং ডিবি পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করে এবং দুটি মামলায় দুই মাস কারা বরণ সহ নির্যাতিত হয়েছেন। পরবর্তীতে স্ত্রী স্বর্ণ গহনা বিক্রি করে জামিন করিয়েছে । দীর্ঘ সময় কোর্টের বারান্দায় হাজিরা দিতে হয়েছে।২০১৮ সালের নির্বাচন কে প্রতিবাদ করায় বহু মাস ও বছর বাড়ি ছাড়া থাকতে হয়েছে। সামাজিক সালিশিতে আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত ও অপমানিত হয়েছে। ২০১৮সালের মিথ্যা বিস্ফোরক গায়েবী মামলায় বাড়ি থেকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পুলিশ মালামাল ক্রোক দেন এবং গ্রেপ্তার হয়। গণসমাবেশ করতে গিয়ে দুষ্কৃতিকারীর আঘাতে রক্তক্ষরণ হয়েছে।
জনগণের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা: আবু সালেহ বলেন, “জনগণই উন্নয়নের মূল শক্তি। আমি আপনাদের শাসক নয়, সেবক হতে চাই। একটি উন্নত, আধুনিক ও ডিজিটাল খলসী ইউনিয়ন গড়ার লক্ষে আপনাদের দোয়া, সমর্থন ও ভালোবাসা আমার একান্ত কাম্য।
ইউনিয়নবাসীর মতে, একজন শিক্ষিত এবং আদর্শবান প্রার্থী হিসেবে আবু সালেহ মাধবপুর ইউনিয়নের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবেন।