• শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন
Headline
মতলব উত্তরে শিপু মিয়াজীর ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি ৪ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ ২০০ নেতাকর্মীর এনসিপিতে যোগদান সুলতানাবাদ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান মোহাম্মদ সেলিম সরকার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যত ধরনের সংস্কার দরকার সেটা আমরা করবো – মশিউর রনি টিম খোরশেদের উদ্যোগে ফ্রি এম্বুলেন্স সেবার উদ্বোধন জিয়া স্বাধীনতার ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক – মাজহারুল ইসলাম জোসেফ মানবাধিকার সংগঠনের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সংস্কারের দাবি সেহলী পারভীনের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা বাড়াতে নারায়ণগঞ্জে বৃহৎ র‍্যালি শনিবার, জনসম্পৃক্ততার আহ্বান জেলা প্রশাসনের বাংলাদেশ-তুরস্ক সাংস্কৃতিক সম্পদ সুরক্ষায় ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর বিশ্ব পরিবেশ দিবসে শীতলক্ষ্যা রক্ষার দাবিতে বন্দরে প্রতিবাদ সভা

বাংলাদেশ-তুরস্ক সাংস্কৃতিক সম্পদ সুরক্ষায় ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ / ২৬ Time View
Update : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক সম্পদ সুরক্ষাবিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আজ শুক্রবার (৫ জুন ২০২৬) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের প্রিমিয়াম লাউঞ্জে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এমপি এবং তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান নিজ নিজ সরকারের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এমপি। এ ছাড়া উভয় দেশের সংস্কৃতি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং তুরস্কের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন।

এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, প্রত্নসম্পদ রক্ষা, জাদুঘর ব্যবস্থাপনা, মহাফেজখানার নথি ও গ্রন্থাগার সামগ্রী সংরক্ষণ, ডিজিটাইজেশন এবং পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার পথ উন্মুক্ত হলো।

১৯৮১ সালের সাংস্কৃতিক চুক্তি এবং ২০১২ সালের শিক্ষা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি, শিল্প, প্রেস ও তথ্য, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সহযোগিতা কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় এই নতুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলো।

সমঝোতা স্মারকের আওতায় উভয় দেশ ইউনেস্কোর ১৯৭০ সালের কনভেনশনের আলোকে সাংস্কৃতিক সম্পদের অবৈধ আমদানি, রপ্তানি ও মালিকানা হস্তান্তর প্রতিরোধে যৌথভাবে কাজ করবে। পাশাপাশি প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধান, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, দুর্যোগঝুঁকি হ্রাস এবং সাংস্কৃতিক সম্পদের তালিকাভুক্তি ও নথিবদ্ধকরণে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা হবে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই চুক্তি দুই দেশের সাংস্কৃতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি নতুন মাইলফলক। এর মাধ্যমে অবৈধভাবে পাচার হওয়া প্রত্নসম্পদ উদ্ধার, যৌথ গবেষণা এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণে প্রযুক্তিগত সহায়তা বিনিময় সহজ হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা