• মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন
Headline
অসচ্ছল মাদ্রাসা ছাত্রের পাশে দাঁড়ালেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন বস্তুনিষ্ঠতাই সঠিক সাংবাদিকতার মানদণ্ড: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অসহায় স্বপ্না বেগমে কে স্বাবলম্বী করতে মানবিক সহায়তা দিয়ে পাশে দাঁড়ালেন সদর উপজেলা প্রশাসন পুলিশকে হতে হবে জনগণের অকৃত্রিম বন্ধু ও নিরাপত্তার প্রতীক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জে লোকনাথ গীতা শিক্ষালয়ের আয়োজন প্রতিযোগি বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক উৎসব বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস পালন করলো মানব কল্যাণ পরিষদ ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি’র পরিদর্শনে সুষ্ঠুভাবে শেষ হলো এএসআই (নিরস্ত্র) নিয়োগের লিখিত ও মনস্তত্ত্ব পরীক্ষা বিএনপির কর্মীরা আপনাদের মারধর করেনি শুধু একটু আদর করেছে – এড. টিপু বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন নারায়ণগঞ্জ সদর শাখার সভাপতি শরীফ সুমন সেক্রেটারি নান্টু এক ইঞ্চি জমিও ফেলে রাখা যাবে না: মানবিক ডিসি জাহিদ

আন্তঃজেলা নদীতে কুমিরের উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ, কারণ অনুসন্ধানের দাবি

বিদ্যুৎ টাইমস ডেস্ক / ৫৭ Time View
Update : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন আন্তঃজেলা নদ-নদী ও মিঠাপানির জলাশয়ে কুমির দেখা যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে জেলে সম্প্রদায়ের জালে কুমির ধরা পড়ার ঘটনা এবং নদীর তীরবর্তী এলাকায় কুমিরের বিচরণ নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ হোসাইন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, “বাংলাদেশের বিভিন্ন নদ-নদীতে হঠাৎ করে কুমির দেখা যাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। কুমিরগুলো কোথা থেকে আসছে, কীভাবে বিভিন্ন নদীতে ছড়িয়ে পড়ছে এবং এর পেছনে কোনো অব্যবস্থাপনা বা অবৈধভাবে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা রয়েছে কি না—তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের খতিয়ে দেখা উচিত।”
তিনি আরও বলেন, “নদীতে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেরা এবং নদীতীরবর্তী সাধারণ মানুষ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। অনেকেই জীবিকা নির্বাহে অনিশ্চয়তার মুখে পড়ছেন। বিষয়টি শুধু বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের নয়, জননিরাপত্তার সঙ্গেও জড়িত।”
পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, বন অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসন যৌথভাবে একটি বৈজ্ঞানিক তদন্ত পরিচালনা করুক। তদন্তে কুমিরের প্রজাতি, উৎস, বিস্তারের কারণ এবং মানুষের জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকি নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
পরিবেশবিদদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তন, নদীর গতিপথের পরিবর্তন, প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংকুচিত হওয়া কিংবা কোনো স্থান থেকে কুমির স্থানান্তরের মতো বিভিন্ন কারণেও কুমির নতুন এলাকায় দেখা যেতে পারে। তাই গুজব বা ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে না দিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে বিষয়টি মূল্যায়ন করা জরুরি।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তদন্ত, প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে একদিকে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় এবং অন্যদিকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণও বজায় থাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা