• সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৭:১০ পূর্বাহ্ন
Headline
ফ্যামিলি কার্ড শুধু ভাতার কার্ড নয়, মানবিক বাংলাদেশ গড়ার ভিত্তি: ডিসি জাহিদুল ইসলাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঈদকে সামনে রেখে হাট-বাজার ও বসতবাড়ির নিরাপত্তায় থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: ডিসি রায়হান কবির প্রবাসী পল্লী আবাসন প্রকল্পের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও প্রতারণার অভিযোগ ডিসি জাহিদের দেওয়া হুইলচেয়ারে বদলে গেল প্রতিবন্ধী শওকতের জীবন আমেরিকার সমাজ-সংস্কৃতির অপরিহার্য অংশ হবে বাঙালিরা: নিউইয়র্ক বইমেলায় রেহমান সোবহান নিত্যপণ্যের দাম কমিয়ে ‘উৎসব ছাড়’ সংস্কৃতি চালু করলেন ডিসি জাহিদুল ইসলাম মিঞা মানুষ যখন খেলাধুলার মধ্যে থাকে তখন বিপথে যাওয়ার সুযোগ থাকেনা – এমপি আজাদ ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে পশু জবাই, চামড়া সংরক্ষণ ও বিনামূল্যে লবণ বিতরণ বিষয়ক সচেতনতা কার্যক্রম নারায়ণগঞ্জে ‘জলবায়ু সহিষ্ণু ক্যাম্পাস উদ্যোগ’: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আধুনিক স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ

মতলব উত্তরে ওয়াসিম হত্যা মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৪ Time View
Update : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার শিকিরচর গ্রামে সম্পত্তিগত বিরোধে ট্রলি চালক ওয়াসিম ব্যাপারীকে (২৬) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় আরিফ হোসেন ব্যাপারী (৪৩) নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৮ মে) দুপুরে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (দ্বিতীয় আদালত) মো. কামাল হোসাইন এ রায় ঘোষণা করেন।

হত্যার শিকার ওয়াসিম উপজেলার শিকিরচর গ্রামের ব্যাপারী বাড়ির মৃত সাহেব আলী ব্যাপারীর ছেলে। তিনি পেশায় ট্রলি চালক ছিলেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আরিফ হোসেন ব্যাপারী একই বাড়ির তৈয়ব আলী ব্যাপারীর ছেলে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, মিজানুর রহমান ওরফে বালু মিজানের পরিবারের সঙ্গে ওয়াসিমের পরিবারের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল।

তারই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালের ২৯ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে মিজানুর রহমান ফোন করে ওয়াসিমকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে রাতের কোনো এক সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে বাড়ির পাশের সেচ প্রকল্পের বাঁধের পাশে ঝোপের মধ্যে ফেলে দেয়। পরদিন সকালে তার লাশের সন্ধান পায় পরিবার।

এ ঘটনায় ৩০ জুন মতলব উত্তর থানায় ওয়াসিমের মা জাহানারা বেগম (৬০) বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা ছিলেন-তৈয়ব আলী ব্যাপারীর ছেলে মিজানুর রহমান ওরফে বালু মিজান (৪৫), আরিফ হোসেন ব্যাপারী (৪৩), মো. আজাদ ব্যাপারী (৪০), মো. করিম ব্যাপারী (৩৮), মেয়ে সালমা বেগম (২৭) ও একই বাড়ির মোশারফ ব্যাপারীর ছেলে মো. কুদ্দুছ ব্যাপারী (২৫)।

মামলাটির তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন তৎকালীন মতলব উত্তর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল আউয়াল। তিনি মামলার তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৩১ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, মামলাটি আদালতে চলমান অবস্থায় ২৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্যপ্রমাণ, মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা ও আসামি তার অপরাধ স্বীকার করায় বিচারক তার উপস্থিতিতে এই রায় দেন। অপর আসামিদের অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের অপর আইনজীবী ছিলেন হারুনুর রশিদ এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন জাবির হোসাইন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা