মতলব উত্তর উপজেলার আগামী মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডে সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশী সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী হাফেজ মোহাম্মদ হোসাইন মোল্লা। নিজের প্রার্থিতা জানান দিয়ে মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডবাসীর কাছে সমর্থন ও দোয়া প্রার্থনা করছেন।
একটি সুখী-সুন্দর দেশ ও সমাজ নির্মাণে সর্বপ্রথম ওয়ার্ড পর্যায়ে উন্নয়ন প্রয়োজন। আসন্ন ইউপি নির্বাচনে জয়যুক্ত হলে ৩নং ওয়ার্ডের সুবিধা বঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষের সেবা করতে চান। ইউপি নির্বাচনে মেম্বার প্রার্থী হিসেবে নিজের অবস্থান আরো সুসংহত করতে প্রতিনিয়ত প্রতিটি গ্রামের মোড়ে, চায়ের দোকানে বিভিন্ন রাস্তাঘাটে ও পাড়া মহল্লায় সাধারণ মানুষের কাছে ছুটে যাচ্ছেন ও দিনরাত ভোটারদের সাথে মতবিনিময় করছেন।
তিনি এলাকায় মুরব্বিদের সাথে কুশল বিনিময় ও নানান সমস্যা নিয়ে তরুণদের সাথে মতবিনিময় করছেন।
এক সাক্ষাতে তিনি জানান, মুদাফর ও ফতুয়াকান্দি নিয়ে ৩নং ওয়ার্ডকে উন্নয়নের লক্ষ্য কে সামনে নিয়ে সু-শিক্ষাবান্ধব বৈষম্যহীন আদর্শ গ্রাম হিসেবে গড়ে তুলার নিমিত্তে আমি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউপি মেম্বার পদে সকলের নিকট দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী। নির্বাচিত হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক ও মাদক নির্মূলে কাজ করব ইনশাআল্লাহ।
৩নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, তিনি প্রতিদিনই সাধারণ মানুষের সাথে মতবিনিময় করছেন এবং তাদের সমস্যা, সম্ভাবনা ও প্রত্যাশার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন।
এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায় মোহাম্মদ হোসাইন মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, মাদকবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টি, কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে এবং জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি একজন জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
সম্ভাব্য মেম্বার প্রার্থী মোহাম্মদ হোসাইন মোল্লা বলেন, “আমি এই ওয়ার্ডের নাগরিক হিসেবে এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের সেবার লক্ষ্য নিয়েই আমি কাজ করে যাচ্ছি। নির্বাচিত হলে রাস্তাঘাট উন্নয়ন, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠন এবং নাগরিক সেবার মান উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করব।
তিনি আরও বলেন, “গরিব মানুষের হক মেরে খাওয়া, কারো প্রতি জুলুম বা অন্যায় নির্যাতন, কোনো ক্ষমতাবান ব্যক্তি দ্বারা নিরীহ মানুষ বা প্রবাসীর বাসা-বাড়ি দখল—এসবের বিরুদ্ধে আমি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করব। চাঁদাবাজি, ছিনতাই, জুয়া, মাদকের সিন্ডিকেট এবং কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেব, ইনশাআল্লাহ। ওয়ার্ডবাসী যদি আমাকে বিশ্বাস করে একবার সেবা করার সুযোগ দেন, আমি কথা দিচ্ছি—আমার কথা ও কাজের মধ্যে মিল না থাকলে আমি আর কোনোদিন আপনাদের কারো দরজায় ভোট চাইতে যাব না। জনগণের আস্থা ও ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।
আমি চাই, সবাইকে সাথে নিয়ে ৩নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে।” এদিকে, সচেতন মহলের মতে, সৎ, সাহসী ও জনসম্পৃক্ত নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হলে ওয়ার্ডবাসীর প্রত্যাশিত উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।