• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ন
Headline
মতলব উত্তরে বিদ্যুতিক শকে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু পাঁচগাছিয়া আবু আহমাদ দারুল উলুম মাদ্রাসায় ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সংবর্ধনা ও অভিভাবক সম্মেলন ধনাগোদা নদীর ভাঙনে হুমকিতে স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী সুস্থ সমাজ গঠনে ক্রীড়া চর্চা আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে : নুরুল হক সরকার মতলব উত্তরে প্রবাসীর বাড়িতে মধ্যরাতে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতায় বিপর্যস্ত চরাঞ্চল, স্বতন্ত্র ইউনিয়নের দাবিতে সরব ৩০ হাজার মানুষ বিকল্প শিক্ষাধারা ও শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারীর উন্নয়নে সচেতনতা বৃদ্ধিতে আড়াইহাজারে কমিউনিটি ডায়ালগ বিকল্প শিক্ষাধারা ও শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারীর উন্নয়নে সচেতনতা বৃদ্ধিতে আড়াইহাজারে কমিউনিটি ডায়ালগ কেবল নিজের পরিবর্তন নয়; সমাজ ও রাষ্ট্রকে কী দিতে পারলাম সেটাই মুখ্য বিষয় :ডিসি জাহিদ সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলম প্রত্যাহার

ধনাগোদা নদীর ভাঙনে হুমকিতে স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪ Time View
Update : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ধনাগোদা নদীর তীরে অবস্থিত ধনাগোদা তালতলী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে বিদ্যালয় সংলগ্ন মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠের বাউন্ডারি দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং কয়েকটি স্থানে ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙনের তীব্রতা অব্যাহত থাকলে বিদ্যালয়ের মূল ভবন, ধনাগোদা বাজার, ফসলি জমি, বসতবাড়িসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

রবিবার (২১ জুন) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নদীর তীরঘেঁষা মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠের সীমানা দেয়ালের বিভিন্ন অংশে বড় ধরনের ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। নদীর স্রোতের কারণে তীরের মাটি সরে গিয়ে দেয়ালের নিচের অংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের মতে, পুরো বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি আরো বৃদ্ধি পেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী কাসপিয়া ও নাজমুল বলেন, প্রতিদিন বিদ্যালয়ে এসে নদীর পাড়ের অবস্থা দেখে ভয় লাগে। ভাঙন যেভাবে এগিয়ে আসছে, তাতে বিদ্যালয় ভবনও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুরাইয়া ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাকিব বলেন, আমরা দাউদকান্দি উপজেলা থেকে নৌকায় করে ধনাগোদা নদী পার হয়ে বিদ্যালয়ে আসি। নদীর পাড় ভাঙতে দেখে খুবই আতঙ্কে আছি। আমাদের বিদ্যালয়টি রক্ষার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এদিকে নদীভাঙনের কারণে এলাকার সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, কৃষক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে। দ্রুত স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ফারুকুল ইসলাম বলেন, নদীর প্রবল স্রোতের কারণে মসজিদ ও ঈদগাহ ময়দানের দেয়াল কয়েক জায়গায় ফেটে গেছে এবং ভাঙন দেখা দিয়েছে। ঈদগাহর পরেই আমাদের বিদ্যালয়ের মূল ভবন অবস্থিত। এভাবে ভাঙন চলতে থাকলে যেকোনো সময় বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কিছুদিন আগে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা এসে এলাকা পরিদর্শন করে গেছেন। আমরা চাই, জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে ভাঙন রোধ করা হোক।

মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সেলিম শাহেদ বলেন, ধনাগোদা নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলো আমরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছি। তালতলী এলাকার পরিস্থিতিও আমাদের নজরে রয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। কারিগরি মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, ধনাগোদা নদীর ভাঙনের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সমন্বিতভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। জনগণের জানমাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা