• বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
Headline
তিন সন্তান নিয়ে অটোরিকশার হ্যান্ডেলে ইয়াসমিন, পাশে দাঁড়ালেন মানবিক ডিসি জাহিদ নারায়ণগঞ্জে নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে খেলাফত মজলিস নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত কৃষকের কাছে নির্ধারিত সময়ে সার পৌঁছাতে হবে – ডিসি রায়হান কবির নজরুল বর্ষে কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় “বিদ্রোহী চেতনায় জাগ্রত হোক নতুন প্রজন্ম”: ইউএনও ফয়েজ উদ্দিন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পুলিশকে বেআইনি নির্দেশনা দেবে না ইসি শুভ চন্দ্র দাস হত্যা মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি: হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিন উদ্ধার অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে পর্যায়ক্রমে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে: যোগাযোগ মন্ত্রী কাঁচপুর-ইলিশা ফেরি চালু, বাড়ছে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগের সম্ভাবনা নারায়ণগঞ্জ সদরে শিক্ষার্থীদের প্রাণিসম্পদ সেবা সম্পর্কে ধারণা বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে নারায়ণগঞ্জ সদরে ‘স্বপ্নের সিঁড়ি পাঠাগার’

না:গঞ্জ সিভিল সার্জন ওএসডি হলেও ডা. আতিকুল বারী ও ডা.মোঃ আমিনুল বহাল তবিয়তে; এদের রুখবে কে?

বিদ্যুৎ টাইমস ডেস্ক / ৬১ Time View
Update : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ,এফ,এম মুশিউর রহমানকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হলেও নানা অভিযোগে অভিযুক্ত বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলেও নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট (খানপুর) হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মুহাম্মদ আতিকুল বারী ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আমিনুল ইসলাম এখনও স্বপদে বহাল রয়েছেন। এ বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

সম্প্রতি জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ,এফ,এম মুশিউর রহমানের বিরুদ্ধে প্রয়াত এক ফ্রানচিলিয়া গোমেজের পেনশনের টাকার চেক দেওয়ার ক্ষেত্রে তার পরিবারের কাছে অর্থ দাবি করার অভিযোগ ওঠে। এ সংক্রান্ত একটি অডিও ক্লিপ জাগো নারায়নগঞ্জ ২৪.কম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি আলোচনায় আসে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৯ আগস্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ডা. এএফএম মুশিউর রহমানকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করার কথা জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষর করেন।
অন্যদিকে, নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট (খানপুর) হাসপাতালে কর্মরত ডা. মুহাম্মদ আতিকুল বারী ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাধারণ রোগীদের বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, একজন জেলা সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর তাকে ওএসডি করা হলেও, একই প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত এসব চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো কেন যথাযথভাবে তদন্ত করা হচ্ছে না।
সাধারণ মানুষের দাবি, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হোক। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে তাদেরও দায়মুক্ত করার ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
তবে সম্প্রতি স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে বিভিন্ন জেলায় যে ধরনের অনিয়ম ও দূর্নীতি লক্ষ করা যাচ্ছে সেই প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জোড়ালো নজরদারি প্রয়োজন সেই সাথে দৃষ্টান্ত মূলক শান্তির। তা না হলে এই সব চিকিৎসকদের অবহেলা ও দূর্ণীতির কারনে স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হবে দেশের অগণিত সাধারণ মানুষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা