• সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৬ অপরাহ্ন
Headline
প্রিপেইড মিটারের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি, নারায়ণগঞ্জে গণঅসন্তোষের আশঙ্কা কাশীপুরকে বিভাজন করে ছিটমহলে রূপান্তরিত করার বিরুদ্ধে গণশুনানিতে আপত্তি জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) কর্তৃক ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০৪ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নারায়ণগঞ্জের ডিসিকে বাগে জান্নাত পঞ্চায়েত পরিষদের নবগঠিত কমিটির ফুলেল শুভেচ্ছা ডেঙ্গু প্রতিরোধে ১২ ওয়ার্ডে ১৪টি ফগার মেশিন বিতরণ করল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সীমানা বর্ধিতকরণে গণশুনানি অনুষ্ঠিত ফুটওভার ব্রিজের দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড ২ ঘণ্টা অবরোধ,ইউএনওর আশ্বাসে প্রত্যাহার হরিজন জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ডিসির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিল হরিজন ঐক্য পরিষদ ১৭৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও উদ্বুদ্ধকরণ সভায় শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই পরিচ্ছন্নতার চর্চা করতে হবে : ডিসি মো: রায়হান কবির স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ ও পরিচ্ছন্ন নারায়ণগঞ্জ গড়ে তুলতে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতা র‍্যালি

গণশুনানিতে – মানুষের আস্থার জায়গাটিকে মর্যাদা দেওয়া জেলা প্রশাসনের সকলের দায়িত্ব’ : ডিসি মো: রায়হান কবির

বিদ্যুৎ টাইমস ডেস্ক / ৬৯ Time View
Update : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬

নাগরিক সেবার মান ও গতি বৃদ্ধি এবং সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি কমাতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। প্রতি বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সরাসরি সাধারণ মানুষের অভিযোগ শুনছেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান কবির।

বুধবার [৮ জুলাই] জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।

গণশুনানিতে জেলা প্রশাসক বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে বেশ কিছু সেবাগ্রহীতার সাথে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সরাসরি কথা বলেছি। তাদের সমস্যাগুলো শুনেছি এবং অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। যদিও আমাদের অভিযোগ গ্রহণ ও সমাধানের স্বাভাবিক কার্যক্রম সপ্তাহজুড়েই চলমান থাকে, তবুও আমি এই নির্দিষ্ট দুই ঘণ্টা সময় কেবল সাধারণ মানুষের কথা শোনার জন্যই আলাদা করে রেখেছি।”

তিনি আরও বলেন, “জেলা প্রশাসনের দরজা জনগণের জন্য সব সময়ই খোলা।”

গণশুনানিতে কোথাও তাড়াহুড়া ছিল না, ছিল না কোনো বিরক্তি।প্রতিটি অভিযোগ কারীর কথা মনোযোগ সহকারে শুনেন, প্রতিটি আবেদনকারীর পারিবারিক অবস্থা, রোগব্যাধি, আর্থিক সংকট ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান জেলা প্রশাসক। পরে মানবিক বিবেচনায় তাদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন।

ডিসি রায়হান কবির বলেন, “একটি আবেদনপত্রের পেছনে থাকে একটি পরিবারের বেদনা। কেউ সরকারি সেবা না পেয়ে অভিযোগ করতে আসে, কেউ চিকিৎসার জন্য আসে, কেউ সন্তানের পড়াশোনা বাঁচাতে আসে, কেউ শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে সাহায্য চায়। বিভিন্ন ভুক্তভোগী পরিবার এখানে আসে তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য। মানুষের এই আস্থার জায়গাটিকে মর্যাদা দেওয়া জেলা প্রশাসনের সকলের দায়িত্ব।”

তিনি আরও বলেন, “সরকারি নীতিমালার আলোকে প্রকৃত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। মানুষের কষ্ট মন দিয়ে শোনা এবং সম্ভব হলে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা — এটিও জনসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।”

জেলা প্রশাসকের কক্ষে শুধু আবেদনপত্র জমা পড়েনি — জমা পড়েছিল মানুষের শেষ ভরসা। আর সেই ভরসার বাস্তবায়নে হাত বাড়িয়ে দেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।

এ সময় জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা, ভুক্তভোগী পরিবার ও সেবা গ্রহীতারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা