নির্বাচনের প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ছেংগারচর পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী সারোয়ারুল আবেদীন খোকন।
সোমবার (১৫ জুন) পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড’সহ বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তিনি উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন এবং নিজের পক্ষে সমর্থন প্রার্থনা করছেন। পাড়া-মহল্লায় ও চায়ের দোকানে ভোটারদের সাথে কুশল মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ২০১৬ সালে বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী সারোয়ারুল আবেদীন খোকন গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় করছেন। ভোটার, ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করেন। এসময় তিনি আগামী নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন।
এসময় স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, তরুণ প্রজন্ম ও পথচারীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যায়।
গণসংযোগকালে সারোয়ারুল আবেদীন খোকন সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং পৌরবাসীর দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বিভিন্ন দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও জনসমাগমস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের তার উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন। স্থানীয়রা আগ্রহের সঙ্গে তার বক্তব্য শোনেন এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে মতামত বিনিময় করেন।
গণসংযোগে সারোয়ারুল আবেদীন খোকন
“আমি একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, যানজটমুক্ত ও নাগরিকবান্ধব ছেংগারচর পৌরসভা গড়ে তুলতে চাই। পৌরবাসীর প্রত্যাশা ও চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়েই উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, পৌরসভাটি কাগজে কলমে প্রথম শ্রেণীর। পৌরবাসী তৃতীয় শ্রেণীর নাগরিক সুযোগ-সুবিধাও পাচ্ছে না।
তিনি বলেন, চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-দক্ষিণ) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ডঃ মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনের নির্দেশে আমি মাঠে কাজ করছি। তাঁর সার্বিক সহযোগিতায় পৌর এলাকার সড়ক উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কার, সুপেয় পানির নিশ্চয়তা, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, তরুণদের কর্মসংস্থান ও খেলাধুলার সুযোগ বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করবেন তিনি। পাশাপাশি একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনসম্পৃক্ত পৌর প্রশাসন গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
প্রযুক্তিনির্ভর ও কার্যকর পৌর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নাগরিক সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাসও দেন সম্ভাব্য এই মেয়র প্রার্থী।
গণসংযোগে অংশ নেওয়া স্থানীয় অনেকেই জানান, দীর্ঘদিন পর কোনো সম্ভাব্য প্রার্থীকে সরাসরি মানুষের কাছে এসে উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরতে দেখা গেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি হয়েছে।