
নারায়ণগঞ্জের কৃতি সন্তান ও নারায়ণগঞ্জ পাঁচ আসনের মনোয়ন প্রত্যাশী মাসুদুজ্জামান মাসুদের কথা
নারায়ণগঞ্জের অহংকার, গুণী জ্ঞানী ব্যক্তিত্ব, সমাজ সেবক, দানবীর, ক্রীড়া সংগঠক ও মানবতার ফেরিওয়ালা নামটি বললেই নারায়ণগঞ্জের মানুষের হৃদয় থেকে চেনেন মাসুদুজ্জামান মাসুদ কে। তিনি শুধু একজন সফল ব্যবসায়ীই নন, বরং একজন সমাজসচেতন মানুষ, রাজনীতি সচেতন কর্মী, ক্রীড়া অনুরাগী, মানবিক উদ্যোক্তা এবং সর্বোপরি একজন পরিশ্রমী দেশপ্রেমিক সহ গরিব-দুঃখী মানুষ সহ সর্বশ্রেনীর হৃদয়ের জায়গা করে নিয়েছেন তার বিভিন্ন কার্যক্রম ও কর্মদক্ষতায়।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের একটি সুপরিচিত পরিবারের সন্তান। শৈশব থেকেই তিনি নিজেকে যুক্ত রেখেছেন খেলাধুলা ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে। তিনি নগর খানপুর শাপলা ক্রীড়া সংসদ এবং তল্লা ডায়মন্ড স্পোর্টিং ক্লাবের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য—যেখানে তাঁর ক্রীড়া অনুরাগ ও শিশুকিশোরদের প্রতি ভালোবাসার প্রতিফলন স্পষ্ট।
তিনি বর্তমানে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন সিসিডিএম (ক্রিকেট কমিটি অফ ঢাকা মেট্রোপলিস)-এর সিনিয়র ভাই চেয়ারম্যান এবং ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের পরিচালক ও ক্রিকেট কমিটির সভাপতি। একইসঙ্গে তিনি ঢাকা লেপার্ডস টিমের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যবসায়িক পরিমণ্ডলে মাসুদ সাহেব এক উজ্জ্বল সফল ব্যক্তিত্ব । তিনি সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন বিকেএমইএ-এর এবং সাবেক সভাপতি নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ-এর। বর্তমানে তিনি সিটিজেন্স ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্বে আছেন।
তার প্রতিষ্ঠিত মডেল গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ-এ বর্তমানে ১৪,০০০-এরও বেশি শ্রমিক কর্মকর্তা কর্মচারী কর্মরত। বিশেষ করে তিনি তার প্রতিষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জবাসীকে চাকরিতে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন এবং শ্রমিকদের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO)-এর নিয়মনীতি অনুসরণ করে একটি মানবিক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করেছেন।
তিনি গুলশান ক্লাব, উত্তরা ক্লাব, ঢাকা ক্লাব এবং আর্মি গলফ ক্লাবের সম্মানিত সদস্য।
রাজনৈতিকভাবে, জনাব মাসুদ শৈশব থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ১১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। এখন গুঞ্জন চলছে তিনি নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থী হতে পারেন—এরপর থেকে অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, কিছু সুবিধাবাদী ও ঈর্ষান্বিত মহল তাঁর জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, যারা বিগত দুঃসময়ে তাঁর কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি আর্থিক সহায়তা নিয়েছেন—তারাই আজ কৃতঘ্নতার পরিচয় দিয়ে এই অপপ্রচারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
যে মানুষটি আওয়ামী ফ্যাসিস্ট আমলে দলমত নির্বিশেষে অসংখ্য মানুষকে নীরবে সহযোগিতা করেছেন, জেলা ও মহানগর বিএনপির অনেক নেতার পাশে নির্লোভভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন, সেই মানুষটির প্রতি এমন আচরণ নিঃসন্দেহে পীড়াদায়ক ।
আমরা মনে করি— মতপার্থক্য থাকতে পারে, থাকবে। বিতর্কও চলতেই পারে। কিন্তু বিভক্ত হওয়া যাবে না।
সংঘাত নয়, সংলাপ হোক আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ । বিএনপি পরিবারের ভাই বন্ধু বোনদের প্রতি বিনীত অনুরোধঃ
বিরোধী পক্ষ যেন আমাদের এই বিভাজনের সুযোগ না নিতে পারে, সেটাই হোক সকলের অঙ্গীকার।
জনাব মাসুদের মতো ব্যক্তিত্বকে আমাদের রক্ষা করা উচিত সম্মানের সঙ্গে।
ভুলত্রুটি থাকতেই পারে, কিন্তু তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে না দেখলে আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হারাবো।
সবাইকে আবারো বিনীতভাবে অনুরোধ করবো— চোখ খুলে দেখুন কে আপন, কে পর। কে পাশে ছিল, কে শুধু ব্যবহার করেছে।
ভালো থাকুন, ভালো রাখুন।
জয় হোক সততার, জয় হোক প্রজ্ঞার।
বিতর্ক চলুক, কিন্তু বিভক্ত হওয়া যাবে না।
মতের ভিন্নতা থাকুক, কিন্তু সংঘাত নয়।
আমরা সবাই একসাথে চললে তবেই জয় সম্ভব।
আপনাদের সবার প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা এবং সহমর্মিতা জানিয়ে বলি—ভালো থাকুন, ভালো রাখুন।
Leave a Reply