
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ও পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনের রাস্তাতেই যেকোনো সময় এক্সিডেন্ট এর মাধ্যমে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা সহ মৃত্যুর আশঙ্কা অতীতের মতন ।দেখার কেউ নেই এবং দেখে থাকলেও ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় জনমনে খুবের সৃষ্টি ।গতকালে এই নিউজটি বিদ্যুৎ টাইমস এ প্রকাশ করা হলে জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিয়ার দৃষ্টিকোচার হয় এবং ২৪ ঘন্টার ভিতরে সরজমিনে উপস্থিত হন মানবিক জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিয়া। শুক্রবার দুপুর ১২ টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এবং দ্রুত এর ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশ্বাস দিয়ে জান এবং বলেন সময়ের থেকে টাকার থেকে মানুষের মূল্য অনেক বেশি ও অনেক মূল্যবান। সবকিছু ফিরিয়ে আনা সম্ভব কিন্তু মানুষ একবার চলে গেলে তা আর ফিরে আনা সম্ভব নয়। তাই মানুষের নিরাপত্তার কথা ভেবে আমাদের সবার কাজ করা উচিত। জেলা প্রশাসন বাউন্ডারির ভিতর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়,, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, জজ কোর্ট,সার্কিট হাউস, গণপূর্ত অফিস, সিভিল সার্জেন কার্যালয় ও পুলিশ সুপারের কার্যালয় অবস্থিত। যার কারণে প্রতিদিন জেলা থেকে হাজার হাজার মানুষের বিভিন্ন দরকারি কাজে আসতে হয়। সেই জন্য পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় একটি কাটা রাখা হইছে সবার সুবিধার্থে। কিন্তু এই রাস্তাটি মরণফাদ হয়ে দেখা দিয়েছে এবং কিছুদিন আগে এই জায়গায় এক্সিডেন্ট হয়ে একজনের মৃত্যু হয়। ভবিষ্যতে আজ মৃত্যু দেখতে চাই না। এই রাস্তা দিয়ে চতুর্দিক থেকে গাড়ি মুভ করে ও মানুষ পারাপার হয়ে থাকে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত । চতুর দিক থেকে গাড়ি আসার কারণে প্রায়ই মানুষ পারাপারের সময় এক্সিডেন্ট এর মত ঘটনা ঘটে দুর্ঘটনা স্বীকার হতে পারেন।কেউ দুর্ঘটনা স্বীকার হলে এর দায়ভার কে নিবেন। কোন ট্রাফিক ব্যবস্থা না থাকার কারণে এই জায়গায় দিয়ে ট্রাক, কভার ব্যন,পিক আপ, মাইক্রো, টেক্সি, বিশেষ করে অটো রিক্সা গুলি কোন প্রকার নিয়ম-শৃঙ্খলা না মেনেই যে যার মত গাড়ি নিয়ে ডাইনে যাচ্ছে বামে যাচ্ছে সামনে যাচ্ছে পিছে যাচ্ছে। আপন মনে এই রাস্তাটি দিয়ে গাড়ি গুলি চলাচল করে ট্রাফিক ব্যবস্থা না থাকার কারণে এমন কি তদন্ত সাপেক্ষে জানা যায় একমাত্র জেলা প্রশাসকের গাড়ি ছাড়া জেলা বাউন্ডারির সমস্ত কার্যালয়ের গাড়ি এই পথ দিয়ে প্রবেশ করে অথছ এই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ পারাপার হয়ে থাকে অনেক ঝুঁকির মধ্যে দিয়ে। আজ আমি নিজেই এক্সিডেন্ট এর শিকার হতে লইছিলাম। মহান আল্লাহপাকের অশেষ রহমতে অল্পের জন্য বেঁচে যাই। তথ্য সংগ্রহের জন্য জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হই। তখন রাস্তা পার হওয়ার সময় হঠাৎ উল্টো পথ থেকে একটি গাড়ি এসে পড়ে। আমি সরে গেলে ডান দিক থেকে আর একটি গাড়ী আসে ও চতুর্দিকে থেকেই গাড়ি আসা শুরু করে তাই আর কোন রাস্তা খুঁজে পাওয়া গেল না নিজেকে রক্ষা করার । তখন একটি গাড়ি হার্ডব্রেক করে তাই এক্সিডেন্ট এর থেকে বেঁচে যাই। এ ব্যাপারে স্থানীয় ও উপস্থিত অনেকের সাথে আলাপ করে জানা যায় এই রাস্তায় প্রায় প্রতিদিনই দু-একটা এক্সিডেন্ট হয়ে থাকে ছোটখাটো। আমরা প্রতিদিনই এমন ঝুঁকি নিয়ে পার হই। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি অতি শীঘ্রই এই রাস্তাটির মধ্যে জেব্রা ক্রসিং চিহ্ন দিয়ে ও দুইজন ট্রাফিক ব্যবস্থা করার জন্য জোরালো আবেদন করা হল হাজার হাজার মানুষের জানের নিরাপত্তার জন্য । যাতে নিশ্চিন্তে হাজার হাজার পথযাত্রী রাস্তা পারাপার হতে পারে। তা না হয় এই রাস্তাটি বন্ধ করে দেওয়াই উত্তম মনে করি। কোন প্রকার গাড়ি এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পারবে না ও মানুষ ও এই রাস্তা দিয়ে পারাপার হতে পারবে না নিয়ম করে দেওয়া হোক। যদিও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ঢোকার জন্য দুইটি টানিং পয়েন্ট ও একটি ফোট ওভারব্রিজ আছে টানিং একটি চানমারি মাইক্রো স্টানের সামনে দিয়ে অপরটি এলজিইডি কার্যালয়ের সামনে দিয়ে । তাই টানিং পয়েন্টে একটু দূর হওয়ায় সবাই এই রাস্তাটি দিয়েই জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের বাউন্ডারি সহ অন্য কাজেও রাস্তা পার হচ্ছে এবং অভিজ্ঞমূল মনে করেন মানুষকে ফুটওভার ব্রিজ দিয়ে পারাবারের জন্য প্রেরণা ও উৎসাহ যোগাতে হবে । তাই দুজন ট্রাফিকের জন্য জোরালো আবেদন করা হলো। যাতে এই জায়গায় কোন প্রকার জন্য জোরালো আবেদন করছি।এই আবেদনের সারা দিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলামিয়া সরজমিনে উপস্থিত হয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ায় জনগণের মনে শান্তি ফিরে এসেছে ও তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
Leave a Reply