
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে জেলা কালেক্টর জামে মসজিদটি একটু বৃষ্টি হলেই দ্বিতীয় তলায় পানি পড়ে জমাটবদ্ধ হয়ে যাওয়ার মুসল্লীদের নামাজ পড়তে বাঁধার সম্মুখীন হতে হয়। এই সমস্যার কারনে ২০ মার্চ শুক্রবার বাদ জুম্মা মুসল্লীরা বিষয়টি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রায়হান কবির এর নিকট জানালে তাৎক্ষণিক জেলা প্রশাসক মসজিদ পরির্দশন করেন এবং ত্রুটি গুলো পর্যবেক্ষণ করে দ্রুতগতিতে সংস্কারের পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
এ সময় তিনি বলেন, মসজিদ এর কোন সমস্যা হলে সবার আগে দ্রুত সময়ে সমাধান করা উচিত। তাই আমি এই সমস্যার সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
জেলা প্রশাসকের এই মহতী উদ্যোগে মসজিদের মুসল্লীরা আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং আনন্দিত হন। মসজিদ পরির্দশের পর জেলা প্রশাসক নারায়ণগঞ্জ মোঃ রায়হান কবির নারায়নগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শনে যান এবং ঈদগাঁ মাঠের বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করেন এবং প্যান্ডেল ও উপরের তাবুগুলিকে ভালো করে দেখেন ঠিকঠাক আছে কিনা। সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে কিনা আগামীকালের ঈদের জামাতের জন্য।প্রশাসনিক প্রস্তুতি সহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন দেখে ফিরে আসার সময় সাংবাদিক কে এ সময় জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির বলেন, নারায়ণগঞ্জে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় ঈদগাঁহ ময়দানে এ বছর দু’টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সবমিলিয়ে পুরো জেলায় প্রায় ৪ হাজার মসজিদ ও ২৫টি ঈদগাঁহে অনুষ্ঠিত হবে ইদুল ফিতরের ঈদের জামাত।
তিনি বলেন, গতবারের মতো এবারও নগরীর মাসদাইরে কেন্দ্রীয় ঈদগাঁ ময়দানে দু’টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
সকাল আটটায় প্রথম জামাত এবং এক ঘন্টা পর দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
এবার জেলার প্রায় ২৫টি ঈদগাহ ময়দানে এবং প্রায় ৪ হাজার মসজিদে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। যাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে পারেন সেই লক্ষ্যে প্রশাসনিক ব্যবস্থা সহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানান ।এই সময় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply