• সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন
Headline
পরিবার পরিকল্পনা ও মা-শিশু স্বাস্থ্যসেবায় অনন্য অবদানে সদর উপজেলাকে জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা হিসেবে সম্মাননা প্রদান চীফ হুইপের সঙ্গে ইউরোপীয় পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসি (ইপিডি) প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সহ জননিরাপত্তা নিশ্চিতে সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযানের সিদ্ধান্ত ডিসির নৌবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬’ উদ্বোধন করলেন নৌবাহিনী প্রধান কাজী নজরুল ইসলাম এর “অভিযান” কবিতার শতবর্ষ ও ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন নারায়ণগঞ্জ সদর কোর্টে অ্যাডিশনাল ডিআইজি মো. সায়ফুজ্জামান ফারুকী’র দ্বি-বার্ষিক পরিদর্শন নারায়ণগঞ্জের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে গ্রাজুয়েটস এসোসিয়েশনের মত বিনিময় রথযাত্রা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে জিরো টলারেন্স নীতি: এসপি মিজানুর রহমান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও নেতাকর্মীদের উপর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পানিবন্দী অসহায় মানুষের দুর্দশা লাঘবে খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসাসামগ্রী নিয়ে দুয়ারে দুয়ারে মামবিক ডিসি জাহিদ

বৃক্ষরোপণে ৫৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকার প্রণোদনা, বিনামূল্যে বিতরণ হবে ১৬ লাখ চারা

বিদ্যুৎ টাইমস ডেস্ক / ৭৭ Time View
Update : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় দেশের ৬৪ জেলায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ১৬ লাখ ২৮ হাজার ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করবে সরকার। এ লক্ষ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৫৩ কোটি ৬৬ লাখ ৩০ হাজার টাকার কৃষি প্রণোদনা ঘোষণা করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহাম্মদ জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৩ জুন কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। একই দিন দেশের সব জেলা ও উপজেলায় চারা বিতরণ শুরু করা হবে।

সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপকরণ-২ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি চারার সঙ্গে কৃষক ৩০ কেজি জৈব সার ও একটি করে বাঁশের খুঁটি বিনামূল্যে পাবেন।

মোট বরাদ্দের মধ্যে চারা বাবদ ১২ কোটি ৯৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা, জৈব সার বাবদ ১৯ কোটি ৭৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা, বাঁশের খুঁটি বাবদ ৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা, পরিবহণ ব্যয় বাবদ ৭ কোটি ৬১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা এবং আনুষঙ্গিক ও অপ্রত্যাশিত ব্যয় বাবদ ৫ কোটি ২০ লাখ ৯৬ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

সারাদেশে এ কর্মসূচির আওতায় ১৬ লাখ ২৮ হাজার বাঁশের খুঁটি এবং ৪৮ হাজার ৮৪০ মেট্রিক টন জৈব সার বিতরণ করা হবে।

চারার প্রজাতি অনুযায়ী কৃষি সহায়তাকে চারটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে।

ক্যাটাগরি-১: প্রতিটি নারিকেল চারার জন্য মোট ৪১০ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এর মধ্যে চারা ১৬০ টাকা, জৈব সার ১২০ টাকা, বাঁশের খুঁটি ৫০ টাকা, পরিবহন ৪৮ টাকা এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় ৩২ টাকা।

ক্যাটাগরি-২: আম, লিচু, সফেদা, শরিফা, তাল, কাঁঠাল, আতা, তেঁতুল, বাতাবি লেবুসহ এ শ্রেণির চারার জন্য মোট ব্যয় ৩১০ টাকা।

ক্যাটাগরি-৩: মাল্টা, জলপাই, করমচাসহ এ শ্রেণির চারার জন্য মোট ব্যয় ২৯০ টাকা।

ক্যাটাগরি-৪: অর্জুন, মেহগনি, সুপারি, আমড়া, আমলকী, নিম, ঘোড়া নিম, জাম, বহেরা, বেল, রেনট্রি কড়ই, খেজুর, কাঠবাদামসহ এ জাতীয় চারার জন্য মোট ব্যয় ২৪০ টাকা।

কর্মসূচির শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রজ্ঞাপনে বেশকিছু কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে ‘পিপিএ-২০০৬’ ও ‘পিপিআর-২০০৮’ অনুসরণসহ সব আর্থিক বিধি-বিধান মেনে চলতে হবে। কোনো অবস্থাতেই বরাদ্দের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করা যাবে না।

জেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটি কর্তৃক বরাদ্দ করা অর্থ উপজেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুকূলে ছাড় করা হবে। কারা এবং কোন প্রতিষ্ঠান এসব চারা পাবেন তার তালিকা প্রস্তুত করবেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, একজন কৃষক বা প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ পাঁচটি চারা পাবেন। বসতবাড়ি, পতিত জমি, খালপাড়, সড়কের পাশের ফাঁকা স্থান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপাসনালয়সহ বিভিন্ন স্থানে এসব চারা রোপণ করা যাবে।

তালিকাভুক্ত কৃষকদের ছবিযুক্ত ‘কৃষক কার্ড’ যাচাই করে মাস্টাররোলের মাধ্যমে উপকরণ বিতরণ করতে হবে। কার্ড না থাকলে জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর মাস্টাররোলে সংযুক্ত করতে হবে। প্রকৃত তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রধান ছাড়া অন্য কাউকে উপকরণ দেওয়া যাবে না।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম বলেন, চারা, জৈব সার ও বাঁশের খুঁটি বিতরণের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। জেলা পর্যায়ের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরগুলো এ বিষয়ে কাজ করছে এবং খুব শিগগিরই চারা বিতরণ শুরু করা হবে।

কৃষি সচিব আরও বলেন, ‘আমরা ধারাবাহিকভাবে ৫ বছরে মোট ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের সরকারের যে লক্ষ্য রয়েছে তা নির্ধারিত মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পূরণ করব।’

কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে অগ্রিম উত্তোলিত অর্থ সমন্বয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা