
কথা রাখলেন তারেক রহমান শয্যাশায়ী ইব্রাহিমের চিকিৎসা শুরু
আন্দোলন সংগ্রামে অংশ নিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢেলে পড়া ১১নং ওয়ার্ড বিএনপির কর্মী ইব্রাহিমকে দীর্ঘ আড়াই বছরেও নারায়ণগঞ্জে অনেক বড় বড় বিএনপি নেতা তার কোন খোজঁ খবর নেননি। অবশেষে দীর্ঘ আড়াই বছরে বিএনপির এই ত্যাগি কর্মী ইব্রাহিমকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলো হাসপাতালে।
রবিবার (২৯জুন) সকালে তারেক রহমানের নির্দেশে চিকিৎসার প্রাইম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবু জাফর আহমেদ বাবুল (প্রাইম বাবুল) গুরুতর আহত ইব্রাহিমকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে প্রেরন করেন।
এ বিষয়ে এলাকার সাধারন লোকজন বলেন, নির্যাতিত এই কর্মীকে বিএনপির কেউ সাহায্য করেনি। আমরা এলাকাবাসী টাকা তুলে তার ঔষধের টাকা তুলে দিলাম। কিন্তু একজনের জন্য কে বার বার টাকা দিবে। কিন্তু আজ খুব ভালো লাগলো যে বাবুল ভাই তার নিজ খরচে ইব্রাহিমকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য নিয়ে গেলেন।
এদিকে প্রাইম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবু জাফর আহমেদ বাবুল বলেন, গত বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি নিউজ দেখে আমি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে জানাই। তিনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন তার চিকিৎসা ও পরিবারের দায়িত্ব নিতে। আমি সাথে সাথে ইব্রাহিমের বাসায় এসে দেখলাম ইব্রাহিম আহত হওয়ার পরে তার সন্তানদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে। আমি তাদের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিয়েছি এবং তার বড় ছেলে পড়ালেখার পাশাপাশি কাজ করতে চায় সে ব্যবস্থাও করে দিব। আমার কথা মতো আজ থেকে পঙ্গু হাসপাতালে ইব্রাহিমের চিকিৎসা শুরু হলো। সবাই দোয়া করবেন ইব্রাহিম যাতে আগের মতো সুস্থ হয়ে পূণরায় চলাফেরা করতে পারে।
প্রসঙ্গ,২০২৩ সালের পল্টনে ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপির আন্দোলনে যোগদেন। সে সময় অতর্কিত হামলার শিকার হন তিনি। পুলিশ তাকে লক্ষ্য করে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে এবং পরে তাকে বেধরক মারপিট করা হয়। এতে করে সে অচেতন হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাকে পুলিশের বুট দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। একপর্যায়ে মৃত ভেবে ইব্রাহিমকে ফেলে যায়। সেই থেকে অচল হয়ে পড়েছে দুটি পা। ইব্রাহিম শয্যাশায়ী হয়ে পড়ে।তার ৩ সন্তানের লেখাপড়া একেবারে অনিশ্চিত। পরিবারের ঘানি টানতে বড় ছেলে কাজে যোগ দেন এবং মা বাসা বাড়িতে কাজ করেন।
Leave a Reply