
দশ মিনিটের বৃষ্টিতে সস্তাপুরে হাটু পানি। দুর্গন্ধ বিষাক্ত ময়লা পানি। জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা
প্রতিবছর বৃষ্টি শুরুর আগেই জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ফতুল্লার নিষ্কাশন খালগুলো সংস্কার করা হয়।
কিন্তু এ বছর প্রশাসনের উদাসিনতায় বর্ষাকাল আসার আগেই ফতুল্লার নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। খোদ সদর উপজেলা পরিষদের পাশের খালগুলো পলি জমে ভরাট হয়ে আছে- অথচ নির্বিকার বসে আছেন সদরের ইউএনও মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরী ও প্রকল্প পরিচালক।
এসব খাল ভরাট হয়ে পড়ায় আশপাশের এলাকায় ঘরবাড়ি থেকে পয়োবর্জ্য পর্যন্ত এখন খালে এসে পড়তে পারছে না। এসব নোংরা পানি এখন এলাকার রাস্তাঘাটে জমে ভয়ানক বাজে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
এতে ভয়াবহ পরিবেশের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
অথচ প্রশাসনের এ নিয়ে কোন উন্নয়নের ব্যবস্থা নেই।
নতুন ইউএনও জানেনই না একাজ তার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে দ্রুত নিস্কাশন খাল সংস্কারের দাবিতে সদর উপজেলার আশপাশ এলাকার মানুষ বুধবার উপজেলা সস্তাপুর গাবতলার মোড়ে খুবই দুঃখ প্রকাশ করে বলেন এত নিউজ এত সাংবাদিকদের জানিয়ে আমাদের কোন সমস্যা সমাধানে কেউ এগিয়ে আসেনি একজন ভালো অভিভাবক পাচ্ছি না ।
এ এলাকার খাল , ড্রেনের এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করার মত কোন অভিভাবক এই এলাকায় নাই, অভিভাবক শূন্য হয়ে সস্তাপুর গাবতলার মানুষ বসবাস করছেন একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোন পথ নাই আল্লাহর গায়েবি সাহায্য এই এলাকার মানুষ বেঁচে আছেন।
দুর্গন্ধ , বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা যুক্ত ময়লা পানির হাত থেকে সাধারণ মানুষ মুক্তি পেতে এলাকার লোকজন, সদর উপজেলার ইউএনও জাফর সাদিকের উপস্থিতি চান এই ময়লা পানির দেখতে, বক্তারা বলেন, তিনি যে জনগণের সেবক সে কথা ভুলে গেছেন।
এই এলাকায় নেই কোন মেম্বার চেয়ারম্যান জনপ্রতিনিধি। ভাই টাইপের জবরদস্ত লোক সবাই যার যার চিন্তায় মগ্ন আছেন নিজেদের বাড়ি নিয়ে আছেন বাড়ি ভাড়া তোলেন আর আরাম-আয়েশে থাকেন সাধারণ জনগণের কথা কেউ ভাবছেন না এই এলাকার।তাই বৃহত্তর এলাকাবাসী নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়ার দৃষ্টি কামনা করছেন। যাতে দ্রুত এই জনদুর্ভোগ থেকে মুক্তি পায় এলাকাবাসী।
Leave a Reply