
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এর শ্রদ্ধাঞ্জলি
বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অমর নাম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামের চিটাগাং সার্কিট হাউসে এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে তিনি শাহাদাৎ বরণ করেন। তাঁর ৪৪ তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে আমরা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি এই মহান দেশপ্রেমিককে, যিনি শুধু একজন রাষ্ট্রনায়ক নন, ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী, একজন সংগঠক এবং দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায়।
জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে দেশের জন্য অস্ত্র হাতে লড়েছিলেন। ২৭শে মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা সমগ্র জাতিকে সাহস এবং দৃঢ়তা জুগিয়েছিল। যুদ্ধ শেষে, তিনি জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারায় উদ্বুদ্ধ হয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশ করেন এবং ১৯৭৭ সালে দেশের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর সময়কালে তিনি “উৎপাদন বাড়াও, আত্মনির্ভর হও” স্লোগান দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আত্মনির্ভরতার দিকে মনোযোগ দেন। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশ ঘটান।
তাঁর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে জাতি হারিয়েছে একজন দূরদর্শী নেতা, একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং একজন দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়ককে। শহীদ জিয়াউর রহমান আজ নেই, কিন্তু তাঁর আদর্শ, সাহসিকতা এবং অবদানের স্মৃতি আজও প্রতিটি দেশপ্রেমিকের হৃদয়ে অম্লান।
৪৪ বছর পরেও, শহীদ জিয়ার নেতৃত্ব ও অবদান জাতির জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তাঁর শাহাদাৎ বার্ষিকীতে আমরা কৃতজ্ঞচিত্তে শ্রদ্ধা জানাই এবং প্রতিজ্ঞা করি—দেশপ্রেম, সৎ নেতৃত্ব এবং গণতন্ত্র রক্ষায় তাঁর দেখানো পথে চলার।
নিবেদক
অধ্যাপক মামুন মাহমুদ,
আহবায়ক, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি।
সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি, বিএনপি।
Leave a Reply