
১৬ ই এপ্রিল বুধবার বিকাল ৩ টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষধের আয়োজনে ছাত্র জনতার জুলাই -আগষ্ট গনঅভ্যুত্থান ২০২৪ এ নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রত্যেক শহীদ পরিবারের অনুকূলে ২,০০০০০/ টাকা করে আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।উক্ত আয়োজনের প্রধান অতিথি ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিয়া ও সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষধের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসনে আরা বেগম। আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ মশিউর রহমান সিভিল সার্জন নারায়ণগঞ্জ। ড,মনিরুজ্জামান ডিডি এলজিআরডি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ ইব্রাহিম প্রসিকিউশন , এড,সাখাওয়াত হোসেন মহানগর বিএনপির আহবায়ক, আবু আল ইউসুফ খান টিপু বিএনপির সদস্য সচিব, মাওলানা মঈনউদ্দিন কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ।নিরব রায়হান, আহ্বায়ক বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা ,মুফতি মাসুম বিল্লাহ,সভাপতি নারায়নগন্জ মহানগর ইসলামি আন্দোলন, ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সহ শহীদ পরিবারের সদস্য বৃন্দ ও বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া বলেন আমাদের সামনে উপস্থিত বীর সন্তানদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আমার বক্তব্য শুরু করছি। যারা আমাদের বাংলাদেশের সফল। যাদেরকে নিয়ে আমরা বুকভরে গর্ব করি, স্বপ্ন দেখি যারা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় নিজেদের রক্ত দিয়েছেন, যারা আমাদের অধিকার আদায়ের জন্য নিজেদের প্রাণ উৎসর্গ করেছেন, যারা গণত্রন্ত্র পুনরুদ্বারে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন তাদেরকে ও তাদের পরিবারকে জানাচ্ছি আমার পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা । আমরা জানি আমাদের বীর সন্তানদের জন্য এই আয়োজন খুবই সামান্য। যারা সন্তান হারিয়েছে, যে মা সন্তান হারিয়েছেন, যে ভাই তার বোন হারিয়েছেন, যে বোন তার ভাই হারিয়েছেন তাদের কাছে আমাদের কোন আয়োজন কোনভাবেই তাদের মন জয় করতে পারবে না। আমরা প্রত্যাশা করছি তারা যেই উদ্দেশ্য নিয়ে তারা যেই লক্ষ্য নিয়ে এই আন্দোলন করেছিল তারা যেই দেশ গড়ার যেই স্বপ্ন বুকে ধারণ করেছিল আমরা সেই দেশ প্রতিষ্ঠা করতে পারলে তাদের সেই ত্যাগ সার্থক হবে। আমরা আপনাদের সকলকেই নিয়ে একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করব ইনশাল্লাহ। বৈষম্যহীন আন্দোলনের শহীদদের নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে যেই দাবিগুলো রেখেছেন সেই দাবিগুলো খুব দ্রুত বাস্তবায়নের ব্যবস্থা নিব। এবং আপনাদের পাশে ছিলাম এবং পাশে থাকব।বীর সন্তানের পরিবারের সদস্যদের সহমর্মিতা জানাচ্ছি, আমরা তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
শহীদ আদিলের পিতা আবুল কালাম বলেন যারা শহিদ হয়েছে তাদেরকে শহীদী মর্যাদা দান করার।তাদেরকে কোন রাজনৈতিক দলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করে। শহীদ পরিবারের সদস্যরা হত্যাকারীদের বিচার দাবী করে। জনির পরিবার, ইমরান হাসানের পরিবার , ইব্রাহিমের মা আয়শা বিবি,ইরফানের পিতা, তুহিনের স্ত্রী সহ মোট ২১জন শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে ২০০০০০(দুই লক্ষ্য) টাকা করে প্রত্যেককে চেক তুলে দেন জেলা প্রশাসক সহ উপস্থিত অতিথিবৃন্দ।চেক পেয়ে সহিদ পরিবার আনন্দিত হন। আর্থিক সহযোগিতা পেয়ে কিছুটা ভালোভাবে দিন যাপন করতে পারব অনেকেই বলেন।এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি জাতির সম্মান ও কৃতজ্ঞতা আরও একবার প্রকাশ পেল। তাদের ত্যাগই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা।
Leave a Reply