
গত ১৭/০৩ /২০২৫ রোজ সোমবার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রধান সড়কে ময়লার ভাগাড় ও বিদ্যুতের ক্যাবলের পরিত্যক্ত চাক্কি সংবাদটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়ার দৃষ্টিগোচর হলে সাথে সাথে পদক্ষেপ নেন। এতে উক্ত আশেপাশের
এলাকাবাসী ও উক্ত এলাকা দিয়ে যাতায়াত কৃত পথযাত্রী সহ শহরবাসী ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
তাদের সবার ধারণা এই ঘটনাটা ডিসির দৃষ্টিতে আগে পরে নাই। যদি পড়তো তাহলে অবশ্যই সবার আগে এই কাজটা করতো। কেননা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া নারায়ণগঞ্জকে গ্রীন এন্ড ক্লিন শহর তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। এবং তা বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত চালিয়ে যাচ্ছেন। শহরকে পরিচ্ছন্ন রূপে রূপান্তরিত করছেন। শহরের যত ব্যানার ফেস্টুন অপসারণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন ও সড়কের ওপর অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করে পরিষ্কার শহরে রূপান্তরিত করছেন। অথচ নিজ কার্যালয়ের সামনে এইরকম ময়লার ভাগাড় থাকায় সচেতন মহলের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল।
আজ মঙ্গলবার এই ময়লার ভাগাড় পরিষ্কারের মাধ্যমে জনমণে ডিসির কার্যক্রমের প্রতি আন্তরিকতা ও ভালোবাসা ফিরে এসেছে। বর্তমান জেলা প্রশাসককে যেকোনো সুপরামর্শ দিলে তিনি তা সাথেই এর পদক্ষেপ নিয়ে থাকেন। এই কারনে নারায়ণগঞ্জ বাসী তার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
সচেতন মহল আরো বলেন শুধু ময়লার ভাগার পরিষ্কার নয় সাথে সাথে বিদ্যুতের চাক্কি গুলিকেও সরিয়ে নিতে হবে।এতে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সুন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। সচেতন মহল আরো বলেন এলজিইডি’র সামনের সড়কের পরিত্যক্ত বিদ্যুতের চাক্কি গুলোতে বসে মাদকের রমরমা ব্যবসা চলিতেছে। এটা বন্ধ করার জন্য জোরালো আবেদন করেছেন সচেতন মহল।
যেহেতু সারা নারায়ণগঞ্জ শহরকে গ্রিন এন্ড ক্লিন করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ করা হচ্ছে । তাই সবার আগে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের আশেপাশে সম্পূর্ণ সর্বক্ষেত্রে ক্লিন করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ শহরবাসী।
যাতে কেউ বলতে না পারে বাতির নিচে অন্ধকার কেন। তাই সবার আগে নিজ এলাকাকে আলোকিত করতে হবে বলে আহ্বান জানিয়েছেন। আরো বলেন পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনের প্রদান সড়কের মরণ ফাঁদ রাস্তাটিরও ব্যবস্থা নিতে আহ্বান করেছেন। যাতে খুব দ্রুত এই রাস্তাটির ব্যাপারে একটি সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। দুর্ঘটনার শিকার হয়ে কেউ যেন এই রাস্তায় মৃত্যুবরণ না করেন। কারণ এই রাস্তায় প্রায়ই এক্সিডেন্ট এর ঘটনা ঘটে ছোটখাটো। কিছুদিন আগে এক্সিডেন্ট হয়ে একটি মানুষ মারা যায় এখানে। তাই আর যাতে কেউ মারা না যায় এক্সিডেন্ট হয়ে এর জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোরালো করেছেন। পথযাত্রীদের রাস্তা দিয়ে পারাপারের জন্য ফুট ওভারব্রিজ দিয়ে চলাচলের উৎসাহিত করতে হবে। যাতে করে এই ব্যস্ততম সড়ক দিয়ে পারাপার হতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার না হতে হয়। আরো বলেন এদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে আর যেন কেউ এইখানে ময়লা ফেলতে না পারে। এই ব্যাপারেও পদক্ষেপ নিতে হবে। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলা বাসী ডিসির সকল কার্যক্রমকে সাধুবাদ সহ ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
Leave a Reply