
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদানের পর থেকেই মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা নারায়ণগঞ্জবাসীর কল্যাণে সর্বক্ষেত্রে একের পর এক কাজ করে যাচ্ছেন। যার কারণে নারায়ণগঞ্জ জেলার সমস্ত সরকারি অফিসগুলোতে ক্ষোভ সহজেই জনগণ কাঙ্খিত সেবাগুলো পাচ্ছেন। তিনি একটি সুন্দর নারায়ণগঞ্জ গড়ে তোলা লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জকে গ্রিন এন্ড ক্লিন শহর তৈরি করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিটা ক্ষেত্রে ক্লিন করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন রাস্তাঘাট অফিস আদালত সবকিছু। কোথাও কোন দুর্নীতি থাকবে না। ভয়াবহ মাদক কে জিরো টলারেন্স আনার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। এবং একের পর এক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে পর্যায়ক্রমে। সে লক্ষ্যে তিনি একের পর এক সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন। সেই সাথে তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন।এবং তিনি যোগদানের প্রথম দিন থেকেই মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে চলছেন বিভিন্ন ক্ষেত্রে। এতে অনেকেই উপকৃত হয়েছে।
তারই ধারাবাহিকতায় নারায়ণগঞ্জকে একটি পরিচ্ছন্ন, দৃষ্টিনন্দন শহর হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা প্রশাসন কর্তৃক ”গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন নারায়ণগঞ্জ” কর্মসূচি নিয়েছেন। গত ১১ মার্চ আইনশৃঙ্খলা সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রোডস এন্ড হাইওয়ে, হাইওয়ে পুলিশের সহযোগিতায় সাইনবোর্ড ওভারব্রিজ থেকে সকল হকার উচ্ছেদ করা হয় এবং সম্পূর্ণভাবে ব্যানার ফেস্টুন মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সেই সিদ্ধান্তের আলোকে টানা কয়েকদিন ধরেই ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ। তাদের অভিযানের প্রেক্ষিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড একেবারে ব্যানার ফেস্টুন মুক্ত হয়ে যায়। সেই সাথে রাস্তার সৌন্দর্যকে আরও দিগুণ বাড়িয়ে তুলে।
সবশেষ বৃহস্পতিবার ১৩মার্চ অব্যাহত ছিল গ্রিন এন্ড ক্লিন নারায়ণগঞ্জ এর কার্যক্রম। এদিন জেলা প্রশাসন ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা সাইনবোর্ড, ভুঁইগড়, জালকুড়ি, শিবুমার্কেট এলাকা ও লিংক রোড থেকে ৯ ট্রাক ব্যানার ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড অপসারণ করেন।
এদিন সাইনবোর্ড, ভুঁইগড়, জালকুড়ি, শিবুমার্কেট এলাকা ও লিংক রোড থেকে অপসারণ করা হয় প্রায় ৯ ট্রাক ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড। সকলকে সাথে নিয়ে নারায়ণগঞ্জ শহরকে একটি পরিচ্ছন্ন, দৃষ্টিনন্দন ও গ্রিন সিটিতে পরিণত করতে জেলা প্রশাসন নারায়ণগঞ্জ দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
তার আগে গত ১২ মার্চ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোনাববর হোসেনের নেতৃত্বে কর্মসূচির অংশ হিসাবে সাইনবোর্ড সংলগ্ন এলাকা, ওভারব্রিজ, চৌরঙ্গী পেট্রল পাম্প সংলগ্ন এলাকা থেকে পাচ ট্রাক ব্যানার, ফেস্টুন, প্লাকার্ড অপসারন সহ রাস্তার উপর ঘড়া ১০ টি দোকান গুড়িয়ে দেওয়া হয়। এবং এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত বলে জানা যায় । সরকারি রাস্তার উপর দোকান পাট ভেঙ্গে ফেলা হবে। এক লক্ষ গাছ লাগানো হবে কিছুদিনের মধ্যেই। জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলামিয়া নারায়ণগঞ্জ বাসীর সবার সহযোগিতা ও বিভিন্ন উপদেশ কামনা করেছেন গ্রীন এন্ড ক্লিন শহর তৈরি করার জন্য । নারায়ণগঞ্জকে গ্রিন জোন শহর তৈরি করে বাংলাদেশের ভিতর একটি মডেলে পরিণত করা হবে। সবাই দোয়া করবেন যাতে এই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করতে পারি।
Leave a Reply