
বন্দর উপজেলার ধামগড় ইউনিয়নের কাজীপাড়া এলাকায় ফসলি জমি থেকে ইটভাটার মাটি কেটে নেওয়ার আশেপাশে বাড়িঘরগুলোতে ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে করে যে কোনো মুহূর্তে ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে আশেপাশে বেশ কয়েকটি পরিবারের বসতভিটা। বার বার নিষেধ করার পরও মাটি কাটা বন্ধ না হওয়ায় ভোক্তভোগীরা বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভোক্তভোগী বাবুল মিয়া বাদী হয়ে ধামগড় কাজীপাড়া এলাকার নুরুজ্জামান ও কবির হোসেনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগটি দায়ের করেন।
বাবুল মিয়া জানান, তিনি মূলত মেঘনা এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। কাজীপাড়া এলাকায় জমিক্রয় করে নতুন বাড়ি করে বসবাস করতে শুরু করেছেন। কিন্তু বাবুল মিয়া ও নুরুজ্জামান যারা কিনা স্থানীয় বিএনপি নেতা হিসেবে এলাকায় পরিচিত। আমাদের বাড়ির পাশের জমির মালিককে কিছু টাকা দিয়ে নামমাত্র মূল্যে এখান থেকে মাটি কেটে নিয়ে ইটভাটায় বিক্রি করছে। যতটুকু কাটার কথা ছিল তার থেকেও অনেক বেশি কেটে নিয়ে প্রায় ২০ থেকে ২৫ ফুট পরিমান গভীর করে মাটি কেটে নিচ্ছে। এতে করে আমাদের করা নতুন বাড়ির ভবনে ফাটল সহ ভবন এক পাশে হেলে পড়েছে। বার বার তাদেরকে নিষেধ করলেও তারা কোনো কর্নপাত করেনি। পরে বাধ্য হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। কিন্তু পুলিশ তদন্তে না আসার কারণে আমি নিজেই গিয়ে ভেকুর সামনে দাঁড়িয়ে মাটি কাটা বন্ধ করি। পরবর্তী আশেপাশের লোকজন এসে আমার বাড়ির অবস্থা থেকে তারাও মাটি কাটা বন্ধের জন্য প্রতিবাদ করে। বর্তমানে মাটিকাটা বন্ধ রয়েছে। কিন্তু আমাদের বাড়িঘর ধসে যাওয়ার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
তিনি আরো জানান, এখানে রাতের আঁধারে অনেকের ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে নিয়ে যাওয়া হয়। আশে পাশে অনেক অবৈধ ইটভাটা রয়েছে সেই সকল ইটভাটা গুলোতে সেই মাটি বিক্রি করা হয়। যারা মাটি কেটে নেয় এবং যেসকল ইটভাটায় মাটি গুলো যায় তারা সকলেই প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ কোনো প্রকার প্রতিবাদ করতে সাহস পায়না। আমরা এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রশাসনের কাছে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আশা করছি।
এখানে আমরা বেশ কয়েকটি পরিবার বাড়ি করে বসবাস করছি। যার মধ্যে আমাদের তিনজনের বাড়িতে ফাটল সহ বাড়ি হেলে পড়েছে। ৫তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে একতলা ভবন করা বাড়ি হেলে পড়েছে। আমার বাড়ির মাঝখান দেয়াল এবং উঠানে ফাটল দেখা দিয়েছে
Leave a Reply