
বিএনপির সংবাদ সম্মেলনের কড়া সমালোচনা করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
রোববার রাজধানীর ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির নেতারা নেতিবাচক রাজনীতিতে জড়িয়ে অবিরাম মিথ্যাচার ও অপপ্রচার অবলীলায় করে যেতে পারেন। তারা রৌদ্রোজ্জ্বল দিনের আলোতে অমাবস্যার অন্ধকার দেখে।
তিনি বলেন, এখন নাকি দেশটা আমরা চালাচ্ছি না। অথচ এই সরকার ৪২ ভাগের উপরে ভোট পেয়ে জনগণের ভোটে নির্বাচিত। বাংলাদেশের ইতিহাসে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন বলতে যা বোঝায়- বর্তমান নির্বাচন কমিশন সেই রকম নির্বাচন করতে স্বাধীন ও কর্তৃত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। অথচ নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে তারা (বিএনপি) কথা বলেছে। আমি মির্জা ফখরুলের (বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর) কাছে জানতে চাই, ২০০৯ সালের আগে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা কার হাতে ছিল? তখন নির্বাচন ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রীর অফিসের সাব-সার্ভিস ছিল। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছায় নির্বাচন কমিশন চলত। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা এই অবস্থা থেকে নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ করতে অবিরাম প্রয়াস চালিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত পার্লামেন্টে আইন করে নির্বাচন ব্যবস্থাকে স্বাধীন করে দিয়েছেন। সেই স্বাধীন কমিশনের অধীনেই পরবর্তী নির্বাচনগুলো অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সেলিম মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-প্রচার সম্পাদক আব্দুল আউয়াল শামীম, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।
Leave a Reply